| প্রশাসনিক বিভাগ | ঢাকা |
| আয়তন (বর্গ কিমি) | ২,০৭২ |
| জনসংখ্যা | মোট: ১৭,১৪,৪৯৬ পুরুষ: ৫০.৫৫% মহিলা: ৪৯.৪৫% |
| শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: | বিশ্ববিদ্যালয়: ১ কলেজ : ৪৮ মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২৩৪ মাদ্রাসা : ১৪১ |
| শিক্ষার হার | ৩৭.৪৪ % |
| বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব | কবি জসিমউদ্দিন |
| প্রধান শস্য | ধান, পাট, গম ও ডাল |
| রপ্তানী পণ্য | পাট, পিয়াজ, ডাল, খেজুরের গুড় |
| |
ভৌগলিক সীমানা
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
- ফরিদপুর সদর উপজেলা
- বোয়ালমারী উপজেলা
- আলফাডাঙা উপজেলা
- মধুখালী উপজেলা
- ভাঙ্গা উপজেলা
- নগরকান্দা উপজেলা
- চর ভদ্রাসন উপজেলা
- সদরপুর উপজেলা
ইতিহাস
১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলা গঠন করা হয়। ফরিদপুরের নামকরণ করা হয়েছে এখানকার প্রখ্যাত সুফি সাধক শাহ শেখ ফরিদুদ্দিনের নামানুসারে। এই এলাকার প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে রয়েছে গারোদা মসজিদ (১০১৩ হিজরি), পাথরাইল মসজিদ ও দিঘী *১৪৯৩-১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ), সাতৈর মসজিদ (১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ)। এলাকার অন্য উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হলো ফতেহাবাদ টাঁকশাল (১৫১৯-৩২ খ্রিস্টাব্দ), মথুরাপুরের দেয়াল, জেলা জজ কোর্ট ভবন (১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দ), এবং ভাঙ্গা মুন্সেফ কোর্ট ভবন (১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দ), বসুদেব মন্দির ও জগবন্ধু আঙিনা।[১]ফরিদপুর থেকে হাজি শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন। শরীয়তুল্লাহের পুত্র দুদু মিয়ার নেতৃত্বে এখানে নীল কর বিরোধী আন্দোলন হয়। জেলার প্রধান নীল কুঠিটি ছিলো আলফাডাঙা উপজেলার মীরগঞ্জে, যার ম্যানেজার ছিলেন এসি ডানলপ। গড়াই, মধুমতি ও বরশিয়া নদীর তীরে নীল চাষ হতো।
অর্থনীতি
এই এলাকার অর্থনীতি মুলত পাট কেন্দ্রিক । ফরিদপুর পাট এর জন্য বিখ্যাত । ফরিদপুর বাংলাদেশ এর অন্যতম বড় নদী বন্দর। এখান থেকে পাট নদী পথে সারা দেশে চলে যেত।চিত্তাকর্ষক স্থান
ফরিদপুর জেলার চিত্তাকর্ষক স্থানগুলার মদ্ধে উল্ল্যেখযোগ্য হচ্ছে,- নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট
- সুইচ গেট
- ধলার মোড়
- রাজেন্দ্র কলেজ (রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়)
- পদ্মা বাধ
কৃতী ব্যক্তিত্ব
- আলাওল, মধ্যযুগের কবি
- কাজী মোতাহার হোসেন, শিক্ষাবিদ, পরিসংখ্যানবিন, সাহিত্যিক
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, ঔপন্যাসিক, কবি
- জসীম উদ্দিন, পল্লীকবি
- মীর মশাররফ হোসেন, ঔপন্যাসিক
- মুন্সি আব্দুর রউফ, বীরশ্রেষ্ঠ
- হুমায়ুন কবির, শিক্ষাবিদ
- ফজলুর রহমান বাবু , অভিনেতা,গায়ক
- অপুর্ব,অভিনেতা এবং মডেল
- রোজিনা, চলচিত্র অভিনেত্রী
- হাবিবুল বাশার, ক্রিকেটার